একটানা কম্পিউটারে কাজ করলে চোখের যত্ন নেওয়ার নিয়ম
একটানা কম্পিউটারে কাজ করলে চোখের যত্ন নেওয়ার নিয়ম জানতে
চান? তাহলে আজকের এই সম্পূর্ণ আর্টিকেল পড়ুন। একটানা কম্পিউটার
বা ল্যাপটপ নিয়ে কাজ করলে চোখে যত্ন নেওয়া সহজ নিয়ম গুলো জানে।
দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে দেখার কারণে চোখের ক্লান্তি ও শুষ্কতা কমানোর
উপায় জানুন ২০-২০-২০ নিয়ম মেনে কিভাবে চোখকে বিশ্রাম দিবেন তা জেনে
নিন সহজ উপায়ে। তাই আজকে আমরা এ সম্পূর্ণ আর্টিকেলে চোখের যত্ন নেওয়ার নিয়ম
জানবো।
পেজ সূচিপত্রঃ একটানা কম্পিউটারে কাজ করলে চোখের যত্ন নেওয়ার নিয়ম
- একটানা কম্পিউটারে কাজ করলে চোখের যত্ন নেওয়ার নিয়ম
- ব্লু লাইট প্রোটেক্টেড গ্লাস ব্যবহারের সুবিধা
- চোখের শুষ্কতা দূর করার জন্য রিফ্রেশিং ড্রপ
- ফ্রিল্যান্সারদের জন্য চোখের ব্যায়াম ও ২০-২০-২০ রুল
- স্কিন টাইম কমানোর প্র্যাকটিক্যাল উপায়
- ডার্ক মোড ব্যবহার করলে চোখের উপকারিতা
- কম্পিউটার স্ক্রিন থেকে সঠিক দূরত্ব বজায় রাখুন
- সঠিকভাবে বসে কম্পিউটারে কাজ করুন
- শেষ কথাঃ একটানা কম্পিউটারে কাজ করলে চোখের যত্ন নেওয়ার নিয়ম
একটানা কম্পিউটারে কাজ করলে চোখের যত্ন নেওয়ার নিয়ম
একটানা কম্পিউটারে কাজ করলে চোখের যত্ন নেওয়ার নিয়ম আমরা ল্যাপটপ বা কম্পিউটার
নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং, ডিজিটাল মার্কেটার, গ্রাফিক্স ডিজাইনার, ব্লগার
প্রোগ্রামার, কিংবা অনলাইনে কাজ করেন এমন মানুষ দিনের বড় একটি অংশ কম্পিউটার বলে
ল্যাপটপ এর সামনে কাটে। তখন ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের ডিসপ্লের যে ব্লু লাইটগুলো
আছে সেগুলো আপনার চোখে অনেক ক্ষতি করে। কারণ টানা কয়েক ঘণ্টা স্কিনের দিকে
তাকিয়ে থাকতে হয় আর এর ফল হিসেবে চোখে ক্লান্তি জ্বালাপোড়া শুষ্কতা ঝাপসা
দেখা কিংবা মাথা ব্যাথার মত সমস্যা দেখা দিতে পারে। দীর্ঘ সময় ডিজিটাল
স্কিন ব্যবহার করলে আপনার চোখ অনেক ক্লান্ত হয়ে যাবে এবং চোখ থেকে
পানি ঝরবে এইজন্য আপনার চোখের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।
কম্পিউটারে কাজ করা নিজেই চোখের জন্য ক্ষতিকর বিষয়টি এমন না কিন্তু দীর্ঘ সময়
কাছ থেকে স্কিন দেখা কম পলক ফেলা ভুল আলো স্কিনে অতিরিক্ত উজ্জ্বলতা এবং
পর্যাপ্ত বিরতি না নেওয়ার মতো বিষয়গুলো চোখের ক্ষতির কারণ হতে
পারে তাই আপনাকে বেশি সময় ধরে কম্পিউটারের স্ক্রিনে তাকিয়ে না থেকে মাঝে
মাঝে চোখের পলক ফেলবেন তাহলেই আপনার চোখের একটু হলেও পেশারটা কমবে। তাই
যারা প্রতিদিন দীর্ঘ সময় কম্পিউটারে কাজ করে তাদের জন্য চোখের যত্ন নেওয়া একটি
নিয়মিত অভ্যাস হওয়া উচিত কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললে কাজের পাশাপাশি চোখের যত্ন
নেওয়া যাবে।
ব্লু লাইট প্রোটেক্টেড গ্লাস ব্যবহারের সুবিধা
কম্পিউটার ল্যাপটপ বা স্মার্টফোন উন্নয়ন ও ডিজিটাল ডিভাইসের স্কিন থেকে বিভিন্ন
ধরনের আলো আসে যার মধ্যে নীল আলো একটি অংশ রয়েছে। এই কারণে বর্তমানে অনেকেই লুক
লাইক প্রটেক্ট বা ব্লু কাট চশমা ব্যবহার করে থাকে। কারণ ল্যাপটপ বা
কম্পিউটারের সকল ডিজিটাল ডিভাইসের স্কিনের যে ব্লু লাইট গুলো আছে সেগুলো চোখে
অনেক ক্ষতি করে ব্লু লাইট চোখে প্রবেশ করতে দিতে পারে না এই ব্লু কাট
চশম। যারা স্টুডেন্ট বা অনলাইনে কাজ করে থাকে তারা তো সবসময় ল্যাপটপ বা
কম্পিউটারের সামনে বসে থাকতে হয় তাই তাদের চোখের ক্ষতি কমাতে এই ব্লু লাইট
প্রটেক্টর গ্লাস ব্যবহার করে কাজ করলে তাদের চোখে স্কিনের ব্লু লাইটটা
প্রবেশ করতে পারবে না।
তবে কোন ব্যক্তির কাছে এই ধরনের চশমা স্কিন দেখার সময় বেশি আরামদায়ক মনে হতে
পারে বিশেষ করে যাদের চোখে চশমার পাওয়ার রয়েছে। তাদের ক্ষেত্রে সঠিক পাওয়ার
চশমা ব্যবহার করা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কম্পিউটারে কাজ করার সময় আপনার চশমার
পাওয়ার উপযোগী কিনা তা নিয়ে সন্দেহ থাকলে চোখের ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া
উচিত। কিন্তু একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ব্লু কার্ড
চশমা ব্যবহার করেই আপনার চোখে কোন ক্ষতি হবে না সেটা এরকম নয়। বরং ভালো
করে চোখের ডাক্তারের কাছে পরামর্শ নিয়ে আপনাকে যদি ডাক্তার চশমা
কিনতে বলে তাহলে অবশ্যই আপনি চশমা কিনবেন ডাক্তারের পরামর্শে আপনার চোখের যত্ন
নিবেন।
চোখের শুষ্কতা দূর করার জন্য রিফ্রেশিং ড্রপ
কম্পিউটার বা ল্যাপটপে কাজ করার সময় আমরা যখন স্কিনের দিকে গভীর মনোযোগ দিয়ে
তাকিয়ে থাকি তখন আমাদের অনেক সময় স্বাভাবিকের তুলনায় কম চোখের পলক ফেলি। এর
কারণে চোখের স্বাভাবিক আদ্রতা কমে যেতে পারে কারণ আমরা দীর্ঘ সময় ধরে
কম্পিউটার বা ল্যাপটপের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকি। তখন চোখ শুষ্ক মনে হয়
জ্বালাপোড়া হতে পারে কিংবা চোখে কিছু একটা পড়ে আছে এমন অনুভূত হতে পারে বা
মাথাব্যথা হতে পারে। এই কারণে আপনি যখন ল্যাপটপ বা কম্পিউটার নিয়ে কাজ
করবেন তখন আপনার উচিত কিছুদিন পর পর চোখের পলক ফেলা বা চোখকে বিশ্রাম
দেওয়া।চোখের এই ধরনের শুষ্কতার ক্ষেত্রে কিছু মানুষের জন্য artificial
tears এবং lubricating eye drops আরাম দিতে পারে।
এগুলো চোখের বিষে আদ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে তবে বাজারে পাওয়া যেকোনো ড্রপ
নিজের ইচ্ছামত দীর্ঘদিন ব্যবহার করা সঠিক হবে না। তাই চোখের ডাক্তারের
পরামর্শ নিয়ে ড্রপ ব্যবহার করা সঠিক হবে। শেষ করে লাল চোখ হওয়া কমানোর জন্য
ব্যবহৃত ড্রপ হলো lubricating eye drops এক জিনিস নয়। তাই নিয়মিত টপ
ব্যবহারের প্রয়োজন হলে বিশ্ব বা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় টপ বেছে
নেওয়া ভালো হবে কারণ ভুলভাল ড্রপ দিলে আপনার চোখে আরো বেশি ক্ষতি হতে
পারে। চোখ সুস্থ হয়ে গেলে চোখ খোসার অভ্যাসও বাদ দিতে হবে চোখ
ঘষলে কিছু সময়ের জন্য আরাম পাওয়া যায় কিন্তু পরবর্তীতে আরো
ক্ষতি হতে পারে। তাই নিয়মিত কাজ করলে চোখের পলক মাঝে মাঝে ফেলতে হবে এবং
চোখের যত্ন নিতে হবে।
ফ্রিল্যান্সারদের জন্য চোখের ব্যায়াম ও ২০-২০-২০ রুল
যারা ফ্রিল্যান্সিং করে তাদের প্রধান কাজ হলো ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের
সামনে সব সময় বসে কাজ করতে হয় কাজের মত এতটাই মনোযোগ চলে আসে যে চোখের
বিশ্রাম দেওয়ার কথা অনেকেই ভুলে যান। ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের যে স্কিনের ব্লু
লাইট গুলো আছে সেগুলো আমাদের চোখের অনেক ক্ষতি করে থাকে। এর জন্য বুলু
লেন্স ওয়ালা চশমা আছে যার নাম ব্লু কাট চশমা এই চশমা কম্পিউটার
বা ল্যাপটপের যেগুলো লাইট গুলো আছে সে লাইটগুলো চোখের ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়
না। এইজন্য চোখের কিছু ব্যয়াম আছে ব্যায়ামগুলো করলে চোখ আরো সুস্থ থাকবে
এবং আপনার চোখের যত্ন নেওয়া হবে তো চলুন ব্যায়ামগুলো জানা যাক।
এই ক্ষেত্রে ২০-২০-২০ নিয়মটি সহজে অনুসরণ করা যায় এই নিয়ম অনুযায়ী
প্রতি ২০ মিনিট পর কমপক্ষে ২০ সেকেন্ডের জন্য প্রায় ২০ ফুট দূরের কোন
বস্তুর দিকে তাকাতে হবে। এতে দীর্ঘ সময় দূরত্ব ফোকাস করার কারণে সাহায্য
করবে এর জন্য ২০-২০-২০ নিয়মটা মানলে আপনার চোখের অনেকটা প্রেসার
কমবে। এর পাশাপাশি কাজের মাঝখানে কয়েকবার ধীরে ধীরে চোখের পলক ফেলতে
হবে। কারণ অনেকক্ষণ ধরে ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকলে
চোখের ক্ষতি বা মাথার সমস্যা হবে। কয়েক সেকেন্ড চোখ বন্ধ করে রাখাও আরাম
দিতে পারে তবে চোখের কোন নির্দিষ্ট ব্যায়াম করতে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া উচিত
না।
স্কিন টাইম কমানোর প্র্যাকটিক্যাল উপায়
যারা কম্পিউটারে পেশাগত কাজ করেন যেমন ফ্রিল্যান্সিং ডিজিটাল মার্কেটিং বা
গ্রাফিক্স ডিজাইন যারা অনলাইন থেকে ইনকাম করে তাদেরকে সব সময় ল্যাপটপ বা
কম্পিউটার নিয়ে কাজ করতে হয়। তাদের জন্য পুরাপুরি স্কিন টাইম বন্ধ করা অসম্ভব
নয় কিন্তু কাজের বাইরে অপ্রয়োজনীয় স্কিন ব্যবহার করা কমানো সম্ভব। অনেক
সময় শেষ করার পর আমরা অকারনে ফেসবুক ইউটিউব বা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া
অনেকক্ষণ সময় কাটিয়ে দিই এতে চোখের বিশ্রামের সময়টুকু নষ্ট হয়ে
যায়। কারন আমাদের কাজ শেষ করে অনেক সময় থাকে এজন্য মোবাইল চালাতে
ইচ্ছে করে কিন্তু চোখের বিশ্রাম দেওয়া হয় না এইজন্য তাই কাজ শেষ করে
সোশ্যাল মিডিয়াতে সময় না দিয়ে নিজের চোখের যত্ন নিয়েন।
আরো পড়ুনঃ Shopify স্টোরে প্রোডাক্ট যোগ করার ধাপ
কম্পিউটারের কাজ শেষ করার পরে কিছু সময় স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা চেষ্টা করবেন বা
বাইরে ঘোরাঘুরি করবেন কারণ কাজ করতে থাকলে বাইরে বের হওয়ার সময় থাকে না এজন্য
কাজ করা হয়ে গেলে বাইরে ঘুরবেন। বিরতির সময় আবার মোবাইল চলে যাওয়ার
বিপরীতে একটু হাটাহাটি করা জানালার বাইরে তাকানো কিংবা অন্য কোন অফলাইন কাজ করা
যেতে পারে। রাতে ঘুমানোর আগে দীর্ঘ সময় মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার করার
অভ্যাস থাকলে সেটিও কমাতে হবে কারণ রাতের ঘুম ঠিকমতো ঘুমাতে হবে। কাজ কমিয়ে
দেওয়া নয় বরং যেটুকু সময় স্কিন ব্যবহার করেছেন সেটিকে প্রয়োজনীয় কাজে
ব্যবহার করা এবং অপ্রয়োজনীয় স্কিন ব্যবহার কমিয়ে দেওয়াটাই মূল উদ্দেশ্য।
ডার্ক মোড ব্যবহার করলে চোখের উপকারিতা
ডার্ক মোড বর্তমানে ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে বা স্মার্টফোনের প্রাইস সব
জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপ ডার্ক মোড সুবিধা রয়েছে। ডার্ক
মোডে সাধারণত ব্যাকগ্রাউন্ড এর ওপর হালকা রঙের খেলা দেখা যায় যেটা চোখের জন্য
অনেক উপকারি হবে চোখে অত আলোর প্রেশার করবে না। অনেক ব্যবহারকারী
বিশেষ করে রাতে কম আলোকে ডার্ক মোড ব্যবহার করলে স্কিন দেখতে বেশি
আরামদায়ক মনে হয় তবে ডার্ক মোড ব্যবহার করলে চোখের সব ধরনের চাপ দূর
হয়ে যাবে এমনটে সঠিক না আপনার চোখের যত্ন ভালো ভাবে নিতে হবে সাথে চোখের কোন
ক্ষতি না হয়।
কারো কাছে ডার্ক মোট হতে পারে আবার কারো কাছে সাধারণ লাইট মোডে লেখা
পড়া সহজ হতে পারে যার চোখে যেটা সেট খায় সে সেটা ব্যবহার
করে। তবে ডার্ক মোট রাতে ব্যবহার করলে ভালো হতো দিনে ব্যবহার না করলেও
হবে কারণ দিনে এমনিতেই অনেক আলো থাকে। তবে যে কোন মোট ব্যবহার করার সময়
স্কিনের উজ্জ্বলতা পরিবেশনের সঙ্গে সম্পূর্ণ অন্ধকার ঘরে খুব উজ্জ্বল স্কিন
ব্যবহার না করাই ভালো একইভাবে খুব বেশি কমিয়ে দিলে লেখা পড়া করতে চোখে চাপ করতে
পারে। মোবাইল বা বা ল্যাপটপের স্কিনের আলো বেশি কমিয়ে দিলে কাজ
করতে বা লেখাপড়া করতে অসুবিধা হতে পারে তাই প্রয়োজন অনুযায়ী সেট করে নিবেন।
কম্পিউটার স্ক্রিন থেকে সঠিক দূরত্ব বজায় রাখুন
আমরা বেশিরভাগ সময় কম্পিউটারে কাজ করে থাকি যেমন ফ্রিল্যান্সিং ডিজিটাল
মার্কেটিং বা গ্রাফিক্স ডিজাইন ইত্যাদি। কাজ করার সময় আমরা যাতে মনিটরের
স্ক্রিনের সামনাসামনি যে না বসি কারণ সামনাসামনি যে বসলে আমাদের
চোখে স্কিনের আলো খুব বেশি প্রবেশ করবে এবং আমাদের মাথার এবং চোখের
সমস্যা হতে পারে। তাই কম্পিউটার স্ক্রিন থেকে দূরত্ব বজায় রাখা
উচিত কম্পিউটারের কাজ করার সময় মনিটর কতটা দূরত্বে রয়েছে সেটিও চোখের
আরামের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। স্ক্রিন খুব কাছে রেখে কাজ করলে চোখকে দীর্ঘ সময়
কাছের একটি বস্তুর দিকে ফোকাস করে থাকতে হবে। যাতে আপনার চোখ বিশ্রাম নিতে
পারে।
সাধারণভাবে কম্পিউটার স্কিন চোখ থেকে প্রায় ২০ থেকে ১৮ ইঞ্চি দূরে রাখা
আরামদায়ক হতে পারে আপনার মনিটরের আকার এবং ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী দূরত্ব
কিছুটা পরিবর্তন করে নিতে পারবেন। মনিটর খুব উঁচুতে বা খুব নিচুতে রাখাও
সঠিক হবেনা নিচে থাকলে আরামদায়ক হতে পারে এতে দীর্ঘ সময় কাজ করার সময় চোখের
উপর অপরিজনীয় প্রেসার কমানো যায়। ল্যাপটপ ব্যবহার করলে দীর্ঘ সময়
কোলে রেখে কাজ না করে সম্ভব হলে টেবিলের ওপর রেখে সঠিক দূরত্বে ব্যবহার
করুন এতে আপনার চোখ সুস্থ থাকবে এবং আপনি চোখের যত্ন নিতে পারবেন। বেশি
কাছ থেকে করাও যাবে না আবার বেশি দূর থেকে কাজ করা যাবে না তাই সঠিক মাপ
অনুযায়ী বসে কাজ করবেন।
সঠিকভাবে বসে কম্পিউটারে কাজ করুন
একটানা কম্পিউটারে কাজ করলে চোখের যত্ন নেওয়ার নিয়ম এর জন্য চোখের যত্নের
পাশাপাশি কম্পিউটারে কাজ করার সময় শরীরের অবস্থান ও ঠিক রাখা জরুরী কারণ ভুল
ভাবে বসে দীর্ঘ সময় কাজ করে চোখের পাশাপাশি ঘার পিঠ এবং কোমরেও ক্ষতি হতে পারে।
তাই চোখের পাশাপাশি আপনার শারীরিক এবং শরীরের যত্নে কাজ করতে হবে সুন্দর করে
টেবিল চেয়ারে বসে আপনাকে কম্পিউটার দিয়ে কাজ করতে হবে। কম্পিউটারের সামনে
বসে অতিরিক্ত থাকা উচিত হবে না। মনিটর এমন অবস্থানে রাখুন যাতে কাজ করার
সময় বারবার মাথা উঁচু বা নিচু করে না কাজ করতে হয় সঠিক জায়গায় রাখুন যাতে
আপনার দেখতে সুবিধা হয়। সঠিক জায়গায় রাখুন এবং সঠিক স্থানে বসুন যাতে
আপনার কাজ করতে অসুবিধা না হয়।
কিবোর্ড এবং মাউস এমন জায়গায় রাখুন যাতে হার্ট ও কব্জি তে অপরজনীয়
চাপ না পরে দীর্ঘ সময় কাজ করলে মাঝে মাঝে উঠে দাঁড়িয়ে শরীরকে নাড়াচাড়া করা
দরকার। কারণ দীর্ঘ সময় বসে থাকলে আমাদের শরীর খারাপ হতে পারে এই জন্য দীর্ঘ সময়
কাজ করে বসে থাকলে আমাদেরকে একটু চিয়ার থেকে উঠে শরীরকে নাড়াচাড়া করতে
হবে যাতে পরবর্তীতে আবার কাজ করতে পারি। একটি আরামদায়ক চেয়ার ক্রয়
করুন যাতে আপনি বসে শান্তি মত কাজ করতে পারেন কারণ আপনি যদি ভালো করে বসে কাজ না
করতে পারেন তাহলে আপনার কাজ করতে ইচ্ছা করবে না। এই জন্য ভালো করে কাজ করার জন্য
এবং ভালো করে বসার জন্য একটি ভাল চেয়ার ক্রয় করুন।
শেষ কথাঃ একটানা কম্পিউটারে কাজ করলে চোখের যত্ন নেওয়ার নিয়ম
একটানা কম্পিউটারে কাজ করলে চোখের যত্ন নেওয়ার নিয়ম বর্তমান সময়ে
ল্যাপটপ বা কম্পিউটার ছাড়া কাজ করা অনেকের পক্ষে সম্ভব না বিশেষ করে যারা
ডিজিটাল মার্কেটিং এবং গ্রাফিক্স ডিজাইন ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করে থাকে
তাদের তো সবসময় ল্যাপটপ বা কম্পিউটার নিয়ে কাজ করতে হয়। এই জন্য তাদের চোখের
অনেক ক্ষতি হয় কম্পিউটার বা ল্যাপটপের স্কিনের ব্লু লাইট গুলো
আমাদের চোখে প্রবেশ করে অনেক ক্ষতি করে তাই এই লাইটগুলোকে আটকাতে ব্লু প্রোটেক্ট
চশমা পাওয়া যায় সে চশমা ক্রয় করলে হবে। আবার চোখের কিছু ব্যায়াম রয়েছে সে
ব্যায়ামগুলো করলে চোখ আরাম পাবে যেমন ২০-২০-২০ নিয়ম এগুলো সব আমি উপরে
আলোচনা করেছি। এবং কিভাবে এই নিয়মটা করবেন আমি উপরে আলোচনা করেছি চাইলে
আপনি পড়তে পারেন।
আবার দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকলে চোখের পলক মাঝেমাঝে ফেলতে হবে
যাতে আপনার চোখটা বিশ্রাম পায় আমরা কাজ করতে থাকলে শেষ হতে অনেক দেরি হয়
সেজন্য চোখকে আমরা বিশ্রাম দিতে পারি না। তবে একটা বুদ্ধি আছে কাজ করা শেষ
হয়ে গেলে যে ফ্রি টাইম থাকবে ওই ফ্রি টাইমে কোন ধরনের মোবাইল বা সোশ্যাল মিডিয়া
ইউজ করবেন না যাতে আপনার চোখটা বিশ্রাম পায়। বাইরে ঘোরাঘুরি করবেন বা
ঘুমাবেন আপনার চোখকে বেশি বিশ্রাম দিবেন তত বেশি আপনি কাজ করতে পারেন।সবশেষে মনে
রাখবেন চোখে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা ঝাপসা দেখা অতিরিক্ত সুস্থতা বা বৃষ্টির কোন
পরিবর্তন হলে শুধু ঘরোয়া উপায় নির্ভর করবেন না বরং চোখের
ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ নিয়ে চোখের যত্ন নিবেন। ধন্যবাদ।

.webp)

ম্যাক্স আইটি ২৫ এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url