মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার ৭টি কার্যকর উপায়

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার ৭টি কার্যকর উপায়? আসলেই কি মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা যাই সেটা অনেক মানুষ জানে না। বেশিরভাগ মানুষই জানে ল্যাপটপ বা কম্পিউটার না থাকলে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা যাবে না। আজকে আমরা এই বিষয়টাই জানবো।
মোবাইল-দিয়ে-ফ্রিল্যান্সিং-শুরু-করার-৭টি-কার্যকর-উপায়
ফ্রিল্যান্সিং হলো কোন নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে চাকরি না করে নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাজ অনলাইনের মাধ্যমে কাজ করে অর্থ উপার্জনের একটি স্বাধীন পেশা। একজন ফ্রিল্যান্সার ঘরে বসে যখন ইচ্ছা তখন কাজ করতে পারবে। 

পেজ সূচিপত্রঃ মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার ৭টি কার্যকর উপায়

 মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার ৭টি কার্যকর উপায়

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার ৭টি কার্যকর উপায় কি? আজকে এই বিষয় নিয়ে আর্টিকেল লিখেছি কারণ মানুষ ফ্রিল্যান্সিং শিখার ইচ্ছা থাকলেও তার ল্যাপটপ বা কম্পিউটার না থাকায় সে শিখতে পারে না। পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষই গুগলে বা ইউটিউব এ গিয়ে সার্চ করে মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার ৭টি কার্যকর উপায় কী? কিন্তু মানুষ জানে না যে হাতে থাকা স্মার্ট মোবাইল ফোন দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়। এখন আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোন থেকে ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। কিন্তু কম বেশি সবাই মনে করে ল্যাপটপ বা কম্পিউটার না থাকলে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারবে না।

বর্তমান যুগে স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেট এই দুইটা জিনিসের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। মোবাইল আর ইন্টারনেট ব্যবহার করে কি আসলেই ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন। হ্যাঁ এই দুইটা জিনিস ব্যবহার করে আপনি আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করতে পারবে। অনেকেই মনে করে থাকে যে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ না থাকলে ফ্রিল্যান্সিং করা সম্ভব নয়। আসলে তেমনটা না ফ্রিল্যান্সিং এর মধ্যে অনেক ছোট ছোট কাজ আছে যেগুলো করে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং কি এবং ফ্রিল্যান্সারের সুবিধা কি

ফ্রিল্যান্সিং হলো ফ্রি মানে মুক্ত আর ল্যান্সিং পেশা ধরেন বাইরের দেশের একটা কোম্পানি ওনারা বলছে যদি আমার কোম্পানিতে লোক নিয়োগ দিই প্রতিমাসে দুই থেকে তিন লক্ষ টাকা স্যালারি দিতে হবে। চিন্তা করলো এ কাজগুলো যদি আমি বাংলাদেশ বা পাকিস্তান এগুলো দেশ থেকে কাজগুলো করিয়ে নিতে পারি। তাহলে আমার খরচটা কমে যাচ্ছে এখানে আমাকে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকাই কাজটা করিয়ে নেয়া হবে। যেখানে উনার ২ থেকে ৩ লক্ষ টাকা খরচ হতো বাংলাদেশ থেকে আউট সোর্স করছে আউট ভাবে কাজটা করিয়ে নেওয়া হচ্ছে এই টোটাল প্রক্রিয়াকে বলা হচ্ছে আউটসোর্সিংবা ফ্রিল্যান্সিং। ফ্রিল্যান্সিং আপনার যখন ইচ্ছা তখন ঘরে বসে কাজ করতে পারবেন আপনাকে কোন অফিসে যাওয়া লাগবে না। এক কথায় আপনার মন মত যখন ইচ্ছা তখন কাজ করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সারের সুবিধা কি? ফ্রিল্যান্সারের সুবিধা হলোঃ আপনি ঘরে বসে কাজ করতে পারবেন কোন অফিসে যাওয়া লাগবে না। বাইরে না ঘরে বসে আপনি কাজ করতে পারবেন। আপনার নিজের সময় অনুযায়ী আপনি কাজ করতে পারবেন আপনাকে কোন সময় নির্ধারিত করা হবে না। তাই আপনার যখন ইচ্ছা তখন কাজ করতে পারবেন। আসলে আপনি রাতে কাজ করতে পারবেন আবার চাইলে সকালে আপনার মন মত সময়ে আপনি কাজ করবেন। আপনি বাংলাদেশে থেকে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে কাজ নিয়ে কাজ করতে পারবেন এবং সে কাজ করে আপনি টাকা ইনকাম ইনকাম করতে পারবেন। 
আপনি চাইলে একদিনে ১ হাজার ডলার ইনকাম করতে পারবেন। মানে আপনি যতক্ষণ কাজ করবেন আর যত ফ্রিল্যান্সিংয়ের পিছে সময় দিতে পারবেন ততই আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আপনি চাইলে মোবাইল বা ল্যাপটপ বা কম্পিউটার দিয়ে আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করতে পারবেন। আপনার যদি কম্পিউটার ল্যাপটপ না থাকে তাহলে আপনার মোবাইল দিয়ে প্রথমে শুরু করতে পারবেন। নিজের পছন্দ অনুযায়ী কাজ বেছে নিয়ে সে কাজগুলো করতে পারবেন। আপনার যে কাজে দক্ষতা আছে সে কাজ করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য কি কি স্কিল শিখবেন

ফ্রিল্যান্সিং ল্যান্সিং এমন একটা সেক্টর যেটা আপনার মধ্যে যদি কোন স্কিল না থাকে তাহলে আপনি কাজ পাবেন না। তাই ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য আপনাকে স্কিল করতে হবে। আপনার মধ্যে যদি স্কিল না থাকে তাহলে আপনাকে কেউ কাজ দিবে না। কারণ আপনি যদি কোন স্কিল না পারেন তাহলে আপনি কি করে ক্লাইন্টের করে দিবেন। সেই জন্য ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার আগে আপনাকে কোন স্কিল শিখতে হবে তাহলে আপনাকে ক্লাইন্ট কাজ দিবে এবং আপনি ক্লায়েন্টের কাজগুলো করতে পারবেন। সেই জন্য আপনি স্কিল শিখে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে ঢুকবেন।

ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য কি কি স্কিল শিখবেন ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ একটি স্কিল। স্কিল দিয়ে আপনি ক্লায়েন্টের কাজ করতে পারবেন স্কিল না থাকলে আপনাকে ক্লাইন্ট কাজ দিবেন না।স্কিল গুলো আমি নিচে দিয়ে দিলাম।

  • গ্রাফিক্স ডিজাইন
  • ভিডিও এডিটিং
  • ডিজিটাল মার্কেটিং
  • ফেসবুক মার্কেটিং
  • ইউটিউব মার্কেটিং
  • SEO 
  • আর্টিকেল রাইটিং
  • আর্টিকেল রাইটিং
  • ওয়েবসাইট ডিজাইন
  • লোগো ডিজাইন
  • টি-শার্ট ডিজাইন

এগুলো শিখা না থাকলে আপনাকে ক্লাইন কাজ দিবে না। তাই কোন একটা স্কিল শিখলে আপনাকে ক্লাইন্ট কাজ দিয়ে এবং আপনি কাজগুলো করে দিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

মোবাইলে ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য প্রয়োজনীয় অ্যাপ কি কি ?

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার ৭টি কার্যকর উপায় ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য অনেক অ্যাপ রয়েছে। সে অ্যাপ গুলো দিয়ে মোবাইলের মাধ্যমে কাজ করতে পারবেন মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য অ্যাপ গুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ। অ্যাপ গুলোর মাধ্যমে আপনার ফ্রিল্যান্সিং কাজ টাকে সহজ করে তুলবে। আপনি কোন ধরনের কাজ করবেন তার ওপর নির্ভর করে অ্যাপ গুলোর প্রয়োজন হতে পারে। মোবাইলে ফ্রিল্যান্সিং শেখার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যাপের সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।
মোবাইলে-ফ্রিল্যান্সিং-শেখার-জন্য-প্রয়োজনীয়-অ্যাপ-কি-কি
1.Youtube দিয়ে অনেক ধরনের কোর্স ফ্রিতে করতে পারবেন এবং কাজের মাঝে কোন সমস্যা হলে সেটা ইউটিউব দেখে সমাধান করে নিতে পারবে। 2.Canva যারা গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ শিখতে চান তাদের জন্য Canva বেস্ট। কারণ মোবাইল থেকেই পোস্টার ও ব্যানার খুব সহজেই ডিজাইন করা যায় এবং বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার থাম্বেল তৈরি করতে পারবেন। 3.CupCut দিয়ে মোবাইলের মাধ্যমে ছোট এবং বড় ভিডিও খুব সহজে এডিট করতে পারবেন। 4.Google Docs দিয়ে কনটেন্ট রাইটিং এবং টাইপিং এর কাজ করবেন তাদের জন্য এটা বেস্ট হবে। 5.Gmail দিয়ে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনার ক্লায়েন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শিখে কোথায় থেকে কাজ পাবেন

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার ৭টি কার্যকর উপায় এর মধ্য প্রধান উপায় হলো কোথায় থেকে কাজ পাবেন। আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং শিখে থাকেন তাহলে আপনাকে বাংলাদেশ থেকে অত কাজ পাবেন না। সেজন্য আপনাকে বাইরের দেশ থেকে কাজ নিতে হবে এবং বাইরের ক্লাইন্ট আপনাকে কাজ দিবে। সে কাজ আপনি যদি সম্পূর্ণ করতে পারেন তাহলে আপনাকে টাকা দিবে তাই শুধু কাজ শিখে বসে থাকলে হবে না আপনাকে নিজে থেকে কাজ খুঁজে নিয়ে আপনি সে কাজকে কমপ্লিট করে দিবেন।
মোবাইল দিয়ে একটি নির্ধারিত স্কিল শেখার পর আপনার পরবর্তী লক্ষ্য হচ্ছে কাজ খোঁজা। বর্তমানে অনলাইনে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস রয়েছে যেমন Fiverr এবং Upwork এগুলো থেকে আপনি বাইরের দেশ থেকে নিতে পারেন তবে। Fiverr এবং Upwork এর একাউন্ট যত সুন্দর করে খুলতে পারবেন কারণ আপনার অ্যাকাউন্ট দেখে আপনার বায়াররা আপনাকে কাজ দিবে। সুন্দর করে একাউন্ট না খুলতে পারেন তাহলে আপনাকে ক্লাইন্টরা কাজ দিবে না। এইজন্য আপনাকে একটি সুন্দর করে একাউন্ট খুলতে হবে।

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে কি কি প্রয়োজন

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য সবার প্রথমে একটি ভাল মানের মোবাইল লাগবে। ফোনে পর্যান্ত পরিমাণ Ram বা Storage থাকলে Cavna Design ও Content Writing এবং Video Editing এবং অন্যান্য সকল অ্যাপ ভালো ভাবে কাজ করবে। এইজন্য একটা ভালো ফোন দরকার। যদি পুরাতন বা কম দামি ফোন থাকে তাহলে ভারী ভারী কাজ করতে পারবেন না। গতিশীল ইন্টারনেটের প্রয়োজন কারণ এইসব কাজ কম দামি ইন্টারনেটে হবে না। তাই আপনি যত দামে ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন আপনার কাজ আরো ঠিকমত হবে।

আপনার স্কিল লাগবে কারণ আপনার যদি কোন ধরনের স্কিল না থাকে। তাহলে আপনাকে কেউ কাজ দিবে না এবং আপনি কাজ পেয়েও কাজ করতে পারবেন না। তাই সর্বপ্রথম আপনাকে স্কিল অর্জন করতে হবে। আপনার শুধু স্কিল শিখলেই হবে না আপনাকে কাজ পেতে হলে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস আছে বাইরের দেশ থেকে আপনাকে কাজ দিবে। এবং সে কাজ করে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন আপনি যত ক্লাইন্টকে হ্যান্ডেল করতে পারবেন আপনার কত কাজ বাড়বে। এবং আপনার আইডিতে ভালো রিভিউ দিবে। সে রিভিউ দেখে আরো ক্লায়েন্ট আপনার কাছে কাজ করাবে।

ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে ধৈর্য ও পরিশ্রম

ধৈর্য এমন একটা জিনিস আপনার যদি ধৈর্য থাকে তাহলে আপনার সামনের দিক আরো ভালো হবে। আপনার যদি ধৈর্য না থাকে তাহলে আপনার জন্য ফ্রিল্যান্সিং না। কারণ ফ্রিল্যান্সার হতে হলে আপনার অনেক ধৈর্য দরকার কারণ ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে প্রথমে ঢুকে আপনার ইনকাম শুরু হবে না। কারণ আপনার একটা স্কিল শিখতে মিনিমাম ৩ মাস সময় লাগবে। আর তিন মাস শিখেই তো আপনার ইনকাম শুরু হবে না আপনাকে ধৈর্য ধরে কাজ খুঁজতে হবে এবং সে কাজগুলো ক্লাইন্টকে ডেলিভারি করে আপনার ইনকাম হবে। ফ্রিল্যান্সিংয়ে আপনি যত ধৈর্য ধরতে পারবেন আপনার জন্য ততই ভালো।
ফ্রিল্যান্সিং-এর-ক্ষেত্রে-ধৈর্য-ও-পরিশ্রম
আপনি একটি ফ্রিল্যান্সিং কোর্স করছেন কিন্তু আপনি বাড়িতে এসে প্র্যাকটিস করছেন না নিয়মিত। আপনার ফ্রিল্যান্সিং শেখার টাকা টা লস হয়ে যাবে । আপনি যদি নিয়মিত প্র্যাকটিস করেন তাহলে আপনার ফ্রিল্যান্সিং কোর্স করা আরো সহজ হয়ে যাবে। আপনি যদি প্র্যাকটিস না করেন তাহলে আপনার কোর্স শেষ করার পর আপনার ইনকাম হবে না এবং আপনি কোথাও থেকে কাজ পাবেন না। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে অনেক প্র্যাকটিস করতে হবে এবং পরিশ্রম করতে হবে। আপনি যত পরিশ্রম করবেন শত আপনি সফল হতে পারবেন।

মোবাইল দিয়ে ডাটা এন্টি কাজ কিভাবে করবেন

ডাটা এন্টি কাজ এটি ফ্রিল্যান্সিং এর মধ্য অন্যতম একটি কাজ। ডাটা এন্ট্রি হলো অনেকগুলো তথ্য সংরক্ষণ করে ডকুমেন্ট হিসেবে জায়গা থেকে আরেক জায়গায় স্থানান্তুর হাওয়াকে ডাটা এন্ট্রি বলে। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস থেকে ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে ডাটা এন্টি কাজ নিয়ে আপনি সে ক্লায়েন্টের কথামতো কাজ করে তথ্যগুলো ঠিকমতো আবার ক্লায়েন্টের কাছে জমা দিয়ে দিবেন। তাহলে ক্লাইন্ট আপনাকে টাকা বা ডলার দিবে এবং আপনি যদি ভালো মতো কাজ করেন। তাহলে আপনার আইডিতে ভালো একটা রিভিউ দিবে সে রিভিউ দেখে অন্যান্য ক্লায়েন্ট আপনার দিয়ে কাজ করাবে। 

মোবাইল দিয়ে ডাটা এন্টি করার জন্য কিছু কিছু জিনিসের প্রয়োজন হয় যেমন 1.Goole Sheets 2.Goole Docs 3.Microsoft Excel এইগুলো ব্যবহার করে মোবাইল দিয়ে কাজ করা যাবে। যদি কোন ক্লায়েন্ট বলে একটি তালিকা তৈরি করে দিতে তাহলে মোবাইল থেকেই নাম, ফোন নাম্বা্‌ পণ্যের তথ্য, এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় টাটা নির্ধারিত কলমে সাজিয়ে নিতে হবে। এগুলো করে ক্লাইন্টকে জমা দিবেন এবং ক্লাইন্ট আপনাকে টাকা দিবে। এইভাবে করে আপনি খুব সহজে মোবাইল দিয়ে টাকা ডাটা এন্টিক করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।   

লেখকের শেষ কথাঃ মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার ৭টি কার্যকর উপায়

সবশেষে বলতে চাই, মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা সম্ভব হলেও এটাকে সহজে টাকা ইনকামের কোনো শর্টকাট পথ মনে করা উচিত নয়। আপনার হাতে একটি ভালো স্মার্টফোন, ইন্টারনেট এবং শেখার আগ্রহ থাকলে আপনি শুরুটা করতে পারেন। তবে সফল হতে হলে অবশ্যই একটি নির্দিষ্ট স্কিল ভালোভাবে শিখতে হবে এবং নিয়মিত প্র্যাকটিস করতে হবে না করলে কখনোই সম্ভব হবে না।

প্রথমদিকে কাজ না পাওয়া বা ইনকাম শুরু হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। তাই হতাশ না হয়ে ধৈর্য ধরে নিজের দক্ষতা বাড়াতে থাকুন। ছোট কাজ দিয়ে শুরু করে ধীরে ধীরে অভিজ্ঞতা, ভালো রিভিউ এবং ক্লায়েন্টের বিশ্বাস অর্জন করার চেষ্টা করুন। কিছুতেই ধৈর্য হারাবেন না কারণ আপনি ল্যাপটপ বা কম্পিউটার এর কাজ মোবাইল দিয়ে করবেন সে ক্ষেত্রে আপনার অনেক ধৈর্য লাগবে বা সময় লাগবে।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ম্যাক্স আইটি ২৫ এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url